"ম্যাগনেটিক ফ্রি এনার্জি জেনারেটর" (Magnetic Free Energy Generator) বা "ম্যাগনেটিক মোটর"

 




Model Video-010

আব্দুল মুসরেফ খাঁনের সহযোগিতায় বিঞ্জান প্রদর্শন মডেল দ্বাদশ শ্রেনী পযর্ন্ত বিঞ্জান শাখায় পাঠরত ছাত্র ছাত্রীদের জন্য।। এই মডেল আপনি হাতে তৈরী করতে পারবেন।। তবে ইলেকট্রিক ব্যবহারে সাবধান অবলম্বন করবেন।। কোনো কিছু তে আবেগ নয় ধর্য সহকারে করুন হইতো আমার ডেমো দেখে আরো উন্নত মডেল তৈরী করতে পারবেন।

আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল

তোমাদের সাফল্য কামনা করি

ভবিষ্যতের ভারত গঠনের কারিগর তোমরা !

অবশ্যই আমাকে ফ্লো করতে ভুলবেন না !

ধন্যবাদ 

আব্দুল মুসরেফ খাঁন

মডেল নং: 010

মডের বিষয়"ম্যাগনেটিক ফ্রি এনার্জি জেনারেটর" (Magnetic Free Energy Generator) বা "ম্যাগনেটিক মোটর"

ভিডিওতে আপনি যে প্রজেক্টটি দেখিয়েছেন, সেটিকে সাধারণত "ম্যাগনেটিক ফ্রি এনার্জি জেনারেটর" (Magnetic Free Energy Generator) বা "ম্যাগনেটিক মোটর" বলা হয়। তবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি বিতর্কিত বিষয়

নিচে আপনার প্রশ্নের উত্তরগুলো বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

. প্রজেক্টের নাম:

এর নাম চৌম্বকীয় শক্তি চালিত জেনারেটর (Magnetic Powered Generator)


. এটি কীভাবে তৈরি করা যায়?

এই প্রজেক্টটি তৈরি করতে মূলত নিচের উপকরণগুলো প্রয়োজন:

·         একটি ডিসি মোটর (DC Motor): যার মাথায় একটি ফ্যান লাগানো থাকে

·         কপার কয়েল (Copper Coil): তারের একটি কুণ্ডলী যা মোটরের সাথে যুক্ত থাকে

·         শক্তিশালী চুম্বক (Strong Magnets): সাধারণত গোলাকার নিওডিয়ামিয়াম চুম্বক বা ফেরাইট চুম্বক ব্যবহার করা হয়

তৈরির ধাপ: . প্রথমে একটি শক্ত কার্ডবোর্ডের ওপর ডিসি মোটরটি বসান। . মোটরের দুই প্রান্তের তার একটি কপার কয়েলের সাথে সংযুক্ত করুন। . মোটরের নিচে বা পাশে নির্দিষ্ট দূরত্বে কিছু চুম্বক স্থির করে বসিয়ে দিন। . হাতে থাকা অন্য একটি চুম্বককে যখন স্থির চুম্বকগুলোর কাছে আনা হয়, তখন চুম্বকের বিকর্ষণ বল (Repulsion Force) ব্যবহার করে মোটরটিকে ঘোরানোর চেষ্টা করা হয়


. এটি কী কাজে লাগে?

·         শিক্ষামূলক প্রজেক্ট: স্কুল বা কলেজের বিজ্ঞান মেলায় বিজ্ঞানের বিভিন্ন নীতি প্রদর্শনের জন্য এটি চমৎকার

·         চৌম্বক ক্ষেত্র বোঝার জন্য: চুম্বক কীভাবে একে অপরকে ধাক্কা দেয় বা আকর্ষণ করে, তা হাতে-কলমে শেখা যায়


. বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা (Scientific Explanation):

এখানে বিজ্ঞানের দুটি প্রধান নীতি কাজ করছে বলে দাবি করা হয়:

·         চৌম্বক বিকর্ষণ: আমরা জানি চুম্বকের সমমেরু (যেমন উত্তর-উত্তর) একে অপরকে বিকর্ষণ করে। এই বিকর্ষণ বলকে কাজে লাগিয়ে মোটরের শ্যাফট ঘোরানোর চেষ্টা করা হয়

·         ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন : যখন কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে বা আশেপাশে চুম্বকীয় ক্ষেত্রের পরিবর্তন হয়, তখন সেখানে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়

একটি জরুরি কথা: বিজ্ঞানের শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি (Law of Conservation of Energy) অনুযায়ী, শক্তি নিজে থেকে উৎপন্ন হতে পারে না, শুধু এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়। ভিডিওতে যা দেখানো হয়, তা অনেক সময় বাহ্যিক কোনো ব্যাটারি বা লুকানো সার্কিট ছাড়া একটানা চলা সম্ভব নয়। ঘর্ষণ এবং বাতাসের বাধার কারণে এই পদ্ধতিতে উৎপন্ন শক্তি ধীরে ধীরে কমে যায়

তাই এটি একটি চমৎকার মডেল বা এক্সপেরিমেন্ট হলেও, বাস্তবে এটি দিয়ে বড় কোনো কাজ বা স্থায়ীভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব নয় তবে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরির জন্য এটি একটি দারুণ উদ্যোগ!


Post a Comment

0 Comments